পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!

পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!

মোঃ মনির হোসেন টিটো
১৯৮৮ সালের এক শীতের বিকেলে আমার প্রথম কেন্দ্রে আসা। সেই থেকে প্রতিদিন। শুধুমাত্র ঢাকায় না থাকলেই এর ব্যতিক্রম। কোনো পাঠচক্রে বই পড়তে আসার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তবে বই-পড়া কর্মসূচিতেই কেটেছে আমার প্রায় পুরো সময়। শুরুতে কাজ করি রেফারেন্স লাইব্রেরিতে, একবছর পর অফিসে, সেই থেকে আজ অবধি কেন্দ্রের মানব সম্পদ বিভাগের দায়িত্বও পালন করে আসছি। তারপর ১৯৯৬ থেকে ‘জাভিক’-এ [জাভিক হল জাতীয়ভিত্তিক মানসিক উৎকর্ষ কার্যক্রম বর্তমানে যা দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রম নামে সারাদেশে বই পড়ানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে]। পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচিও এই কার্যক্রমের সহোদর।

১৯৮৮ সালে কেন্দ্রে এসেই ১০ বছর পূর্তি উৎসব দেখার সুযোগ হয়েছিল। আমি তখন ছিলাম সদ্য কেন্দ্রে আসা একজন গোবেচারা! তারপর ১৫ বছর পূর্তি, ২০, ২৫, ৩০ ও ৩৫ বছর পূর্তি উৎসব আয়োজনে ছিলাম সক্রিয় একজন কর্মি। এখন ৪০ বছর পূর্তি উৎসবের আয়োজন চলছে। পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা! ২৫ বছর পূর্তি উৎসবের কথা। রজতজয়ন্তী উৎসব আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ। চলছে শেষ রাতে সাজ-সজ্জার খুঁটিনাটি। হঠাৎ রাত প্রায় ৩টায় শুরু হয় প্রচন্ড বৃষ্টি। সব সাজ-সজ্জা ভেসে যায় সেই বৃষ্টিতে। সকাল হলেই হাজারো মানুষের ঢল নামবে কেন্দ্রে কিন্তু পুরো কেন্দ্র কাঁদা ও ময়লা পানিতে সয়লাব। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে রাত প্রায় সাড়ে ৩টায় স্যারকে ফোন করি। স্যার স্বাভাবিকভাবেই আমাকে বললেন বৃষ্টি হলে তোমরা কি করতে পার? আরো বললেন, তুমি শুধু দেখ তোমার জন্য কিছূ আটকে আছে কিনা? এছাড়া তোমার কি আর করার আছে? আসলেইতো তাই! আমার কি করার ছিল? অথচ সেই রাতে আমি কেন যেন কেঁদে ফেলেছিলাম। শেষ রাতে নিজেরাই ঝাড়ু দিয়ে ময়লা পানি পরিস্কার করলাম, ডেকোরেটর থেকে বিশাল ত্রিপল এনে পুরো বাগান ঢেকে দিলাম। সেই ত্রিপলের উপরই চলছে কেন্দ্রের নতুন-পুরাতন সদস্য শুভানুধ্যায়ীদের সারাদিনের আনন্দ-উল্লাস। কেউ প্রায় বুঝতে পারেনি রাতে কি তান্ডব ঘটে গেছে এই কেন্দ্রে! বাগানের কোণায় এখন যেখানে মহুয়াগাছ তার নিচে ছিল ভিডিও প্রোজেকশন। মূল অনুষ্ঠান ছিল আমতলার খোলা ত্রিভূজ বারান্দায়। অনেক সূধীজন ও শিল্পীদের উপস্থিতিতে পুরো কেন্দ্র ছিল উৎসবমূখর। রথীন্দ্রনাথ রায়, এন্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ্বজিৎ, কিরণ চন্দ্র রায় ও বেবী নাজনীন প্রমূখ শিল্পীরা কেন্দ্র মাতিয়ে রেখেছিলেন রাত ১১টা অবধি। সেদিন সবাই উপভোগ করেছিলেন পুরো আয়োজন। আগের রাতের তান্ডব কোনো কিছুই মিলিয়ে যায়নি। সেদিনও ছিল ভাঁপা পিঠা, মুড়ি-মুড়কি, বাতাসা, সাচের মিঠাই, হাওয়াই মিঠাই, চিড়াভাজা ও নারিকেলের নাড়ুর মুখোরোচক খাবারের আয়োজন।

কোনো আয়োজনে কষ্ট যত বেশি, আনন্দও তত বেশি। কেন্দ্র আজ অনেক বিস্তৃত হয়েছে। সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এর অগণিত পাঠক-শুভানুধ্যায়ী। তারাই বিনির্মাণ করবে একদিন স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। যেই সোনার বাংলায় আমি থাকব সাগরের একফোঁটা জলের মতো। কেন্দ্রের ৫০ বছর পূর্তি উৎসব আয়োজন হবে সেই সোনার বাংলায়।
কেন্দ্রকে কেন্দ্র করেই এই সোনার বাংলার প্রত্যাশা! …এটাই স্বপ্ন!! …এটাই ভালবাসা!!!

জয় হোক আলো ঘরের, জয় হোক আলোকিত মানুষের
জয় হোক আলো ঘরের, জয় হোক আলোকিত মানুষের
শ্যামলী খান।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
শুভ কিবরিয়া
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
লুৎফর রহমান রিটন
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
মোহাইমিনুল হক জয়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
রাজন দত্ত মজুমদার
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
নাদিয়া জেসমিন রহমান
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
আবদুল্লাহ আল মোহন
 বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
মোঃ এনাম-উজ-জামান বিপুল
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বিশ্ব বন্ধু বর্মন
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
পিয়াস মজিদ
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
মোঃ মনির হোসেন টিটো
“Kendro”, The Centre
“Kendro”, The Centre
MD. MAHDIUL HAQUE
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে আলো হয়ে মিশে আছে শত শত মানুষ
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে আলো হয়ে মিশে আছে শত শত মানুষ
ইশরাক পারভীন খুশি
জ্ঞান পিপাসু এক “গান” তাপসের গল্প
জ্ঞান পিপাসু এক “গান” তাপসের গল্প
মোখলেস হোসেন