আমারও কিছু স্মৃতি আছে...

আমারও কিছু স্মৃতি আছে...

জেমস আনজুস
সায়ীদ স্যারের সঙ্গে কথোপকথন
কবিতার পাঠচক্র শুরু হবে। আগ্রহীদের ইন্টারভিউ হবে। ইন্টারভিউ নিবেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার স্বয়ং। আমার তো হৃদকম্পন বেড়ে গেছে। তো... একসময় আমার পালা চলে এলো। স্যার আমার নাম জিজ্ঞেস করলেন- কী করি জানতে চাইলেন। ততক্ষণে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে আমি খুব নার্ভাস হয়ে গেছি। তিনি আমাকে বললেন, ‘চিন্তার কোন কারণ নেই। এই পাঠ চক্রে পঞ্চাশজন সদস্য থাকবে। আর পঞ্চাশটি আবেদনই আমরা পেয়েছি।’ তার কথা শুনে আমার মনে হল, আমি বুঝি এসএসসি তে জিপিএ ৫ পেয়ে গেছি। স্যার জানতে চাইলেন, কার কার কবিতা পড়েছি? আমি বলে দিলাম, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ। আমার কথা শুনে তিনি হেসে বললেন, বাপ রে বাপ! বল কী! এইকথা মনে হলে আমিও মনের অজান্তে হেসে ফেলি। এখন বুঝতে পারি রবীন্দ্রনাথ, নজরুল পাঠ করা বিষয়টি কতটা ব্যাপক, গভীর। সেই দিনের অল্প সময়ের কথোপকথন আমার জীবনে একটা স্থায়ী ছায়া ফেলেছে। সেই দিন আমি প্রথম উপলব্ধি করলাম যে বিশাল আকাশের মত, সমুদ্রের মত মানুষেরা কতটা সাধারণ হতে পারে!
দুঃখের বিষয়, সেই পাঠচক্রটি শেষ করতে পারিনি। কারণ পাঠচক্রটি অল্প কিছুদিন চলে বন্ধ হয়ে যায়।

কবি শামীম আজাদের ক্রিয়েটিভ রাইটিং কর্মশালা
২০০৬ সাল। পত্রিকায় দেখলাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ক্রিয়েটিভ রাইটিং কর্মশালা হবে। আমি তো মহাখুশি। কর্মশালা পরিচালনা করবেন কবি শামীম আজাদ। এবার লেখালেখিটা একেবারে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসবো। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে গেলাম। নাম নিবন্ধন করলাম। শামীম আজাদ যে একজন ভদ্র মহিলার নাম, কর্মশালায় গিয়েই জানতে পারলাম। মানুষ যে কতটা মোহনীয় হতে পারে, কবি শামীম আজাদকে দেখে আমি তা বুঝেছি। কর্মশালাটি দারুণ ছিল।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ২৫ বছর পূর্তি
আমি আর আমার এক বন্ধু গিয়েছিলাম সেই উৎসবে শামিল হতে। মনে আছে সায়ীদ স্যার আর অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ অদ্ভুত পাঞ্জাবি পড়ে ঘুরে বেড়িয়ে ছিল সেইদিন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে বাঁশ দিয়ে তৈরি পাত্রে মুয়া, মিষ্টান্নসহ কিছু খাবার দেওয়া হয়েছিল। আমি সেই বাঁশ দিয়ে তৈরি পাত্রটি লুকিয়ে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। স্মৃতি হিসেবে রেখে দিব, তাই।

আমার স্বপ্নচূড়া
আমার স্বপ্নচূড়া
মো আব্দুল্লাহ আল মামুন
সবচেয়ে ভালোর জন্য যাহার সাধনা
সবচেয়ে ভালোর জন্য যাহার সাধনা
আলেক্স আলীম
কেন্দ্রের খাতা, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়
কেন্দ্রের খাতা, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়
আসজাদুল কিবরিয়া
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বিশ্ব বন্ধু বর্মন
উৎসবে আনন্দে জয়তু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
উৎসবে আনন্দে জয়তু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
আবীর সরকার
আমারও কিছু স্মৃতি আছে...
আমারও কিছু স্মৃতি আছে...
জেমস আনজুস
স্বপ্নের ফেরিওয়ালার গল্প
স্বপ্নের ফেরিওয়ালার গল্প
রুমানা মাহজাবীন
ভালোবাসার আলোঘর
ভালোবাসার আলোঘর
মোমিন মেহেদী
দেয়ালিকা
দেয়ালিকা
ফাহাদ মশিউর রহমান
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
শুভ কিবরিয়া
বই, আমি এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বই, আমি এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
মোঃ রেজওয়ান হোসেন মুরাদ
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
লুৎফর রহমান রিটন
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
মোহাইমিনুল হক জয়
আলোর দিশারী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে হাজারো সালাম
আলোর দিশারী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে হাজারো সালাম
দেবজয় চক্রবর্তী