প্রেম-অপ্রেমে ১৭ বছর !!!

প্রেম-অপ্রেমে ১৭ বছর !!!

দুলাল চক্রবর্ত্তী
স্রেফ চাকরি নয়, খানিকটা স্বপ্নতাড়িত হয়েই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আসা। যৌবনে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর ছিলাম; তারপর স্বপ্নভঙ্গ। শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবনের সূচনা, সেইখানেও অনিশ্চয়তা-অব্যবস্থাপনা। স্কুল থেকে বেসরকারি সংস্থায় স্বল্প সময়ের অবস্থান, অতঃপর দৈনিক পত্রিকায় এসে থিতু হওয়ার চেষ্টা। কিন্তু আবারও ছন্দপতন। ২০০১ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে পারিবারিক সিদ্ধান্তক্রমে একটি প্রতিষ্ঠিত প্রগতিশীল দৈনিক পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গেল। আমি এবং আমার মতো অনেকে হয়ে গেলাম কর্মহীন
২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস। হরতাল-অবরোধসহ রাজনৈতিক উত্তাপে জনজীবন অস্থিতিশীল, অনিরাপদ। নতুন কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা সর্বত্র। ২০০১ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রেশ তখনও আছে। এমনি প্রেক্ষাপটে আমার পরমপ্রিয়জন অভিভাবক কবি নির্মলেন্দু গুণের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চলছিল। কবি যৌবনে স্যারের সাথে, স্যারের সহযোগী হয়ে ‘কন্ঠস্বর’ নামে সাহিত্য পত্রিকা বের করতেন। তিনি স্যারের সাথে যোগাযোগ করে আমাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যেতে বললেন। আমি কবির পরামর্শক্রমে এক সনধ্যায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের সাথে সাক্ষাত করতে এলাম। সাক্ষাতকারপর্বে মনির ভাই উপস্থিত ছিলেন। স্যার ঠিক দুদিন পর কর্মে যোগ দিতে বললেন আমাকে। কেন্দ্রের কর্মি সুফিয়ান সজল তিন মাসের ছুটিতে গিয়েছে, সেখানে আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে অস্থায়ী ভিত্তিতে। সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ যোগ দিলাম। সহকর্মি হিসেবে পেলাম দুজনকে মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন এবং উজ্জ্বল হোসেন। মনির হোসেন বিভাগীয় প্রধান। তখন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুব ভাই, নিপা আপাসহ আমরা সবাই একই কক্ষে পাশাপাশি বসতাম। আজম ভাই, লিটু ভাই কর্মসূচির বই, পুরস্কারের বই এগুলো সরবরাহ করতেন। তাঁরা পাশের একটি কক্ষে বসতেন। তখন সদাহাস্যময় কাজল ঘোষ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মুখপত্র ‘আসন্ন’ সম্পাদনা করতেন। কাজল ঘোষ চলে যাওয়ার পর আমি ‘আসন্ন’র জন্য সারাদেশ থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠানো লিখাগুলো সম্পাদনা করেছি বেশ কিছুদিন। আমার যোগদানের তিনমাসের মাথায় ডিসেম্বরে এলো ২৫ বছর পূর্তি উৎসব। সেখানে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করেছি, অনেক আনন্দও পেয়েছি। একে একে ৩০ বছর, ৩৫ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপিত হয়েছে এরই মধ্যে।
এবার ৪০ বছর পূর্তি উৎসব; যেখানে আমার কর্ম জীবনের ১৭ রয়েছে। স্বপ্নতাড়িত হয়েই এসেছিলাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে, এখনও সেই স্বপ্নেই বিভোর আছি। আমি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি নিছক শখের বশে নয় স্যার যে গভীর বেদনাবোধ থেকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের গোড়াপত্তন করেছিলেন তা বৃথা যায় নি; বরঞ্চ এটি লক্ষপূরণের দিকে এগিয়ে চলেছে ক্রমশঃ। ভবিষ্যতের আলোকউজ্জ্বল সমাজ বিনির্মাণে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র অনুঘটক হিসেবে সফল হবেই। তবে স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ সব সময় মসৃণ ছিল বা আছে তা হয়তো বলা যায় না। মসৃণ থাকেও না কোথায়ও। সেখানে অম্ল এবং মধুরতা দুটি বিষয়ই থাকে। তবু এগিয়ে যেতে হবে, এগিয়ে যেতে হয়। ঠিক এইভাবেই প্রেম-অপ্রেমে পার হচ্ছে আমার ১৭ বছরের কর্ম জীবন। জ য় তু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। আমরা ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’র অপেক্ষায় জেগে রইলাম।
দুলাল চক্রবর্ত্তী: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কর্মি

আমার স্বপ্নচূড়া
আমার স্বপ্নচূড়া
মো আব্দুল্লাহ আল মামুন
সবচেয়ে ভালোর জন্য যাহার সাধনা
সবচেয়ে ভালোর জন্য যাহার সাধনা
আলেক্স আলীম
কেন্দ্রের খাতা, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়
কেন্দ্রের খাতা, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়
আসজাদুল কিবরিয়া
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বিশ্ব বন্ধু বর্মন
উৎসবে আনন্দে জয়তু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
উৎসবে আনন্দে জয়তু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
আবীর সরকার
আমারও কিছু স্মৃতি আছে...
আমারও কিছু স্মৃতি আছে...
জেমস আনজুস
স্বপ্নের ফেরিওয়ালার গল্প
স্বপ্নের ফেরিওয়ালার গল্প
রুমানা মাহজাবীন
ভালোবাসার আলোঘর
ভালোবাসার আলোঘর
মোমিন মেহেদী
দেয়ালিকা
দেয়ালিকা
ফাহাদ মশিউর রহমান
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
শুভ কিবরিয়া
বই, আমি এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বই, আমি এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
মোঃ রেজওয়ান হোসেন মুরাদ
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
লুৎফর রহমান রিটন
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
মোহাইমিনুল হক জয়
আলোর দিশারী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে হাজারো সালাম
আলোর দিশারী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে হাজারো সালাম
দেবজয় চক্রবর্তী