অংশুকারাভানের এক যাত্রী

অংশুকারাভানের এক যাত্রী

নাদিয়া জেসমিন রহমান
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের স্মৃতিচারণ করা আমার জন্য একটু কঠিন। কেন্দ্রের লক্ষী ছেলেমেয়েরা কলেজ কর্মসূচীর সদস্য হয়। বারোটি বই পড়ে শেষ করে, পরীক্ষা দেয় এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ফিতায় বাধা এক গাদা বই পায়। আমি ছিলাম লক্ষ্মীর উল্টো যাকে বলা যায় পাজী সদস্য। আমি সর্বসাকূল্যে ক্লাস করেছিলাম চার থেকে পাঁচটা। বইও তখন সবগুলো পড়ি নি। সুতরাং, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বা পুরস্কার হিসেবে বই পাওয়া কিছুই হয়ে ওঠে নি। আরো হতাশ হবার মতো বিষয় হল, গত বছর প্রথম আমি এই কলেজ কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণি অনুষ্ঠান দেখলাম এবং দুনিয়ার আফসোস করলাম যে সময় থাকতে কেন সাধনে অমনোযোগী ছিলাম! কলেজের সময়টা ভাবলে মনে হয় এখন যারা কলেজে পড়ে, আমি তাদের চেয়ে অনেক আনাড়ি ছিলাম। সপ্তাহে সপ্তাহে একটা বই পড়ে শেষ করতেই হবে, এটা মেনে নেওয়া যেন ভীষণ কঠিন কিছু ছিল তখন। অথচ, দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত একটানা শুয়ে কতো বই পড়ে শেষ করেছি! কিন্তু, এই বইগুলো নিয়েই মনে মনে কেমন একধরণের বিতৃষ্ণা এসেছিল। মনে হতো, এ যেন আমার ইচ্ছেমতো পড়া হলো না। কি বোকা বোকা চিন্তা ছিল সেটা এখন বুঝি। ভাবতাম, যা যতো সহজপাঠ্য এবং ভাবায় না, সেটাই তো গল্পের বই। বইপড়া যে শুধু বাস্তব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়, তা যে লেখকের শব্দ এবং কল্পনার জট ছাড়িয়ে ‘ভাবা প্র্যাকটিস করা’, তা বুঝতাম না। মোট কথা, পাঠক হিসেবে একেবারে তৃতীয় স্তরের ছিলাম। এখনো যে খুব জাতে উঠে গিয়েছি, তা না। কিন্তু, অবস্থা আগের মতো সঙ্গিন নয়।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে টুকটাক স্মৃতিচারণে প্রবেশ করা যাক। যা কিছু মনে পড়ছে, এই বেলা ‘ফাঁস’ করে দেই।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তখন ‘বাবুই পাখির বাসা’ ছিল, যা এখন বাবুই পাখির অট্টালিকায় রূপান্তরিত হয়েছে। একতলা বাড়ির সামনে ছিল কয়েক চিলতে সবুজ। তাতে পা বিছিয়ে বসে আমরা গল্প করতাম। আর ছিল এই সবুজ শুরুর আগে, ক্লাসরুম লাগোয়া একটা ছোট মঞ্চ। তাতেই সব অনুষ্ঠান হতো। সুমন ভাই আর রাসেল ভাই ছিলেন আমাদের অর্গানাইজার। সুমন ভাই ছিলেন ( এখনো আছেন। আশা করি লেখা দিতে দেরি হচ্ছে দেখে পাল্টে যাবেন না) ‘মাই ডিয়ার’ লোক আর রাসেল ভাইয়ের ধাত ছিল কড়া। ডায়েরি আর বই জমা দেওয়া নিয়ে অনিয়ম করে কতো যে বকা খেয়েছি ভাইয়ার, তার হিসেবও নেই। সুমন ভাই খুব রক্ষা করার চেষ্টা করতেন। কখনো পারতেন, কখনো রাসেল ভাই পারতে দিতেন না।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ভর্তি করিয়েছিলেন আমাকে আমার সিতু চাচী। তার পুরো নাম সিতারা আবেদীন। তিনি ছিলেন কেন্দ্রের প্রথম ব্যাচের ছাত্রী। তিনি এখানে নিয়ে আসার আগে কেন্দ্র সংক্রান্ত কোন কিছু আমি জানতাম না। বই তো পড়লেই হয়, তা নিয়ে আবার ক্লাস কিসের, এসব ভাবতে ভাবতে ফর্ম পূরণ করে হয়ে গেলাম কেন্দ্রের সদস্য। প্রথম ক্লাসে গেলাম, সায়ীদ স্যার নামক মানুষটার সাথে প্রথম দেখা। অর্বাচীন মনের ধারণাই ছিল যে ক্লাস মানেই খুবই বোরিং কিছু। সেদিন এই ধারণা ভেঙ্গে গেল। স্যার কথা বলেছিলেন ‘ক্রীতদাসের হাসি’ নিয়ে। পুরোটা সময়ে মন্ত্রমুগ্ধ ছিলাম। এরপরেও যেহেতু পাজী ছিলাম, তাঁর আর তিনটা কি চারটা ক্লাস করেছিলাম, বাকি বইগুলো পড়া শেষ করতে না পারার লজ্জায় ক্লাস করতে দ্বিধা হতো। এখন তো স্যার সব ক্লাস নেন না, শুনেছি। আফসোসের খাতায় আরেকটি দীর্ঘশ্বাস যুক্ত হল।

আমি তখন ঢাকায় নতুন। তার আগ পর্যন্ত জীবনের অংশটুকু প্রিয় চট্টগ্রামেই কেটেছে। বাবা-মা পড়ুয়া ছিলেন, সেই সূত্রে বইপড়া শুরু। কলেজে থাকতেও, এমনকি এখনো পছন্দের বইয়ের তালিকায় বেশিরভাগই শিশু-কিশোর সাহিত্য। আমার বাবা-মা ‘বিশেষ দিন বিমুখ’ দু;জন মানুষ। এক ঈদ আর ষোলোই ডিসেম্বর বাদে কলেজ জীবনের আগে কিছুই পালন করি নি। এমনকি পহেলা বৈশাখও না। জন্মদিন পালনও বড় হতে হতে ছোটদের ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল। জীবনের প্রথম ‘ফাল্গুন উৎসব’ পালন করেছিলাম বা এমন কিছু আছে তা শুনেছিলাম কেন্দ্রের কল্যাণে। আবছা আবছা মনে আছে, সুমন ভাই মাটির একটা হাড়ি থেকে সবাইকে ভাজা চিড়া, মুড়ি আর বাতাসা বিলোচ্ছিলেন। এই স্মৃতি আবছা হবার কারণ, সেদিন আমি কমলা রঙের শাড়ী পরেছিলাম। শাড়ি তখন আমার কাছে আতঙ্কের আরেক নাম। পরতেও ইচ্ছে করতো, পরলেও মনে হতো কেন যে পরলাম! উঠতে বসতে শাড়ির দুশ্চিন্তার ফাঁকে মনে আছে কেউ গান গেয়েছিল, কেউ আবৃত্তি করেছিল এবং এসবের ফাঁকে সুমন ভাই ছবি তুলছিল। সেদিনটার যেই স্মৃতি স্পষ্টতর, তা ছিল, শৈলী, আসিফ ও নাজমুলের সাথে বইমেলায় যাবার স্মৃতি। সেবার আনিসুল হকের ‘মা’ উপন্যাসটি বেরিয়েছিল। ভেবেছিলাম, এসেছি যখন, কিনেই ফেলি। নাজমুল কিছুতেই কিনতে দিল না এবং বলতে লাগলো, সে পড়েছে, ভালো হয় নি এই সেই। এরপর ঘুরে টুরে চলে আসলাম। আমার আর নাজমুলের জন্মদিন একই মাসে। দুটো তারিখের মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবাধান। জন্মদিনের মাসে হুমায়ূন আজাদের বিশাল ভক্ত নাজমুল আমাকে আনিসুল হক এর ‘মা’ উপহার দিয়েছিল। আমি খুশিতে তাজ্জব বনে গিয়েছিলাম। এই ফাঁকে একটা কথা বলে নেই। পড়ুয়াদের সাথে বন্ধুত্ব সবসময়েই লাভজনক! কোন বই ভালো লাগলে তা উপহার হিসেবে দেওয়া যায় (না লাগলেও) এবং নানা রকম বই উপহার হিসেবে পাওয়া যায়। আমা্র মনে হয় না আর কোন ‘কমন ইন্টারেস্টের’ বন্ধুত্বে উপহার দেওয়া নেওয়ার জায়গাটা এতো সহজ ও আনন্দদায়ক।

মনে পড়ে, শৈলীর সাথে সপ্তাহে সাতদিনই দেখা হতো। সে আর আমি একই কলেজে পড়তাম। সে কিন্তু, আমার মতো পাজী ছিল না। সমস্ত বই পড়ে শেষ করেছিল। তখন তার বাবা মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন, কয়েকমাস পর তিনি মারাও যান। কঠিন একটা সময় পার করেছিল শৈলী তখন। গানপাগলী শৈলী তখনো গীটার বাজাতো, গান গাইতো। এখন তো নিয়মিত শো করে, গানের অ্যালবাম বেরিয়েছে আর টিভিতেও সে উপস্থাপনা করে। আর আরবানেহ নামক একটা ছোট পরীর মা সে। যোগাযোগ আগের মতো সাতদিন হয় না আর, মাঝে মধ্যে, কিরে কই খবর নাইতে এখন আমরা যোগাযোগের দায় মিটাই আর বলি যে দেখা করব। সেটা অনেকদিন ধরে হয়ে ওঠে না।

আসিফ ছিল আমাদের এই চার জনের বন্ধুবৃত্তের আঠা। বইপড়া কর্মসূচির শেষ দিনটিতে ক্লাসরুমের মধ্যেই ছোটখাটো একটা আয়োজন হয়েছিল। আমার মতো অনেকেই যারা অনিয়মিত ছিল, তারাও শেষদিনে হাজির হয়েছিল। আয়োজনের একটি বিশেষ পর্ব ছিল। একটা বড় কাগজের বাক্সে ছোট ছোট চিরকুটে একজন আরেকজনের উদ্দেশ্যে বার্তা লিখে তাতে ফেলছিল। এসব চিরকুট সর্বসমক্ষে পাঠ করাই ছিল সেই বিশেষ পর্ব। এই গল্প বলার আগে একটু পিছিয়ে যাই। আসিফ তখন আমার উপর বিশেষ এক কারণে খাপ্পা (বলা যাবে না এটা এখানে) এবং কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। নিরুপায় হয়ে আসিফের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে তখন ‘বেঁচে’ ছিলাম। দুই বন্ধুর মন কষাকষিতে ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিল নাজমুল আর শৈলী। যাই হোক, শেষ দিনটিতে ফিরে আসি আবার। নানাজনের ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ এক বার্তার কথা মনে আছে। ক্লাসে খুব সুন্দর এক মেয়ে ছিল। চশমা পড়ত। মনে আছে সে লুকিয়ে লুকিয়ে তখন নিষিদ্ধ হওয়া বই তসলিমা নাসরীনের ‘ক’ পড়ত। সেই মেয়ে ছিল ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ দের ক্রাশ। সবাই এই সুযোগে বাক্সের সহায়তায় তাকে বন্ধুত্ব ও প্রেম নিবেদন করেছিল। বেশ কিছু বার্তা ছিল তার জন্যই। এসবের মধ্যেই হঠাৎ শুনলাম আমার নামে কার যেন চিরকুট আছে। আসিফ ঠিকঠাক কি লিখেছিল মনে নেই, তবে সম্ভবতঃ এমন কিছু ছিলঃ “দোস্ত, অনেক ঝগড়াঝাঁটি করলাম, আয় সব ঠিক করে ফেলি’। সেই চিরকুট পড়া শেষ হলে আসিফ তার জায়গা থেকে উঠে এসে সবার সামনে হাত বাড়িয়ে দিল, আমিও তা ধরে একটা ঝাঁকুনি দিয়েছিলাম। আমার মনের ভার নেমেছিল আর খুশি হয়ে গিয়েছিল শৈলী আর নাজমুল।

আসিফকে আঠা বলার কারণ লিখে শেষ করব এই স্মৃতিচারণ পর্ব। সম্ভবতঃ ২০১২ কি ১৩ সাল হবে, আসিফ আমেরিকা থেকে দেশে বেড়াতে আসলো। আমরা আজিজে গেলাম আসিফের জন্য এক বইয়ের সন্ধানে। কোন এক বড়ভাইয়ের কাছ থেকে নেওয়া সেই বই ছোটবেলায় তার শেষ হবার আগেই সেই ভাই নিয়ে যাওয়ায় তার কোনদিনই পুরোটা পড়া হয় নি। বইয়ের নাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘আঁধার রাতের অতিথি’। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও ‘আঁধার রাতের অতিথি’ এর দেখা মিললো না। এরপর কেন্দ্রে ঠিক মনে নেই, কতো বছর পর গিয়েছিলাম। আসিফের ডাকে চলে এসেছিল প্রি, অনু আর প্রসেনজিৎ। জম্পেশ আড্ডা মেরেছিলাম আর দেখলাম কেন্দ্রের বাবুই পাখির বাসা তখন অট্টালিকা হতে ব্যস্ত। পুরনো সেই বিল্ডিঙটার জন্য খারাপ লাগছিল। আবার ভালো লাগছিল, কেন্দ্র বড় হবে এটা ভেবে। আসিফের জন্যই কেন্দ্রের সাথে আবার যোগাযোগ শুরু হল। কখনো লাইব্রেরীতে, কখনো কেন্দ্রের ছাদে, সুমন ভাইয়ের রুমে সুমন ভাই ও বাকিদের সাথে আড্ডা, পহেলা বৈশাখ, বর্ষামঙ্গল, বিজয় দিবস, পূর্ণিমা উৎসব আর সেই ফাল্গুনের টানে কেন্দ্রে যাওয়া বাড়ল।

কেন্দ্র আমার মন ভালো করার দাওয়াই ছিল এবং আছে। এখন আসতে উপলক্ষ লাগে না, শুধু শুধু ঢুঁ মারি। নিজের ব্যাচের লোক না থাকলেও আপনতর হয়ে গেছে ছোট বড় সবাই! মুর্তজা ভাই এক ছবির নিচে মন্তব্য করেছিল, এই প্রতিষ্ঠানটি একটা পরশপাথর। তখন পড়ে মনে হয়েছিল, এই তুলনা বেশি বেশি। এখন লিখতে গিয়ে মনে হচ্ছে কথাটা খুব সত্যি। কেন্দ্রে নিয়মিত আসলে, পড়ুয়াদের সান্নিধ্যে আমার মধ্যে অন্যরকম একটা মন কেমন করা ব্যাপার ঘটে। যাদের সাথে দেখা হয় তারা খুব স্বার্থহীন এবং ভালোবাসতে পারে। কেন্দ্র যে পরশপাথর, তার প্রমাণ এইসব নানা ব্যাচের পড়তে পড়তে স্বপ্ন দেখা এবং ভালোবাসতে শেখানো মানুষগুলো। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরশের জাদুতে যেন শ্যাওলা না জমে আর স্বপ্নবাজদের পদচারণায় কেন্দ্র যেন সবসময়ে মুখর থাকে, এই আশায় অংশুকারাভানের এক যাত্রীর স্মৃতিচারণ শেষ হল।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
শুভ কিবরিয়া
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
লুৎফর রহমান রিটন
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
মোহাইমিনুল হক জয়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
রাজন দত্ত মজুমদার
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
আবদুল্লাহ আল মোহন
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বিশ্ব বন্ধু বর্মন
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
মোঃ মনির হোসেন টিটো
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
নাদিয়া জেসমিন রহমান
 বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
মোঃ এনাম-উজ-জামান বিপুল
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
পিয়াস মজিদ
“Kendro”, The Centre
“Kendro”, The Centre
MD. MAHDIUL HAQUE
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে আলো হয়ে মিশে আছে শত শত মানুষ
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে আলো হয়ে মিশে আছে শত শত মানুষ
ইশরাক পারভীন খুশি
মনে পড়ে সেই স্কুল কলেজের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীর মুখ
মনে পড়ে সেই স্কুল কলেজের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীর মুখ
পথিক শহিদুল
কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো
কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো
আল আমিন