কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো

কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো

আল আমিন
২০১৩ সাল।
কলেজে পড়ি। কলেজের বেশ কিছু ক্লাবে সদস্য হই। সবশেষে সদস্য হলাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কলেজ ভিত্তিক বই পড়া কর্মসুচিতে। একেবারে চিন্তা ভাবনা ছাড়া যে সদস্য হয়েছি তা না। রিপন ভাই বললেন (কলেজের বড় ভাই) কলেজ শেষ তো তোর ক্লাবও শেষ। ও-দিকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইগুলোর দুটো আমার পড়া শেষ। প্রথম বইটা ছিলো শওকত ওসমানের কৃতদাসের হাসি। দ্বিতীয় বইটা ছিলো প্লেটোর সংলাপ। বইটা যেমন পুরোনো ঠিক ততোটা ভারি বই। আসিফ ভাইকে বললাম ভাই, এতো পুরাতন বই পড়া যাবে না। ভাই বললো কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো।

কেন্দ্রে আসলাম। ভর্তি হলাম কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে---
শুরু হলো --বই পড়া, ডায়েরি মেইনটেইন করা। আর কঠোর কিছু নিয়ম কানুনের মাঝে পেলাম সুন্দর মনের বন্ধু-বান্ধবী। শুরু হলো নতুন এক জীবন।

প্রথমদিন ডায়েরি সাইন করলো সুমন ভাই।
ইরানী মেয়ের সিনা ভালো, মিশরী মেয়ের.....
মুচকি হেসে ভাই বললো চোখে পরেছে বালক তবে। মারিয়া আপুকে ফাঁকি দিতাম না লিখে ডায়েরি। রবি ভাইয়ের রবি সাইনটা দেখে নিজের একটা সাইন বানানোর চেষ্টা করতাম।
একবার শুনলাম ব্যাচের সবাই একসাথে ঘুড়তে যাবে জাহাঙ্গীরনগর।
ভ্রমণ করে নিজেদের ভিতরে সখ্যতা বেড়ে গেলো বহুগুণ।

স্কুল কলেজ ছেলেদের হওয়াতে মেয়ে দেখলেই ভয়ে কাপতাম। মেয়ে বন্ধুদের সাথে মেশার যোগ্যতা অর্জন হলো। একসাথে ক্লাস, ঘুড়ে বেড়ানো, সবকিছুর পর একটা সময় অনেক ভালো লাগতো । কলেজ আলাদা, পরিবার আলাদা তারপরেও যেন দাড়ুন এক শখ্যতা । সুমন ভাই শেখালো ক্যামেরার পোজ , ক্যামেরায় দেবার হাসি। যে হাসি হাসি না তবে ছবি দেখে তা বোঝার কোনো উপায় নেই। আজ সুমন ভাইয়ের শেখানো হাসির অনেক প্রসংসা পাই। হাসি পেয়েছি, শিখতে পেরেছি, ভ্রমন করতে পেরেছি আর বড় ব্যাপার হলো এমন এক পরিবার পেয়েছি যার কোনো পরিবার পরিকল্পনা নাই।

স্যারের লেখা পড়তাম দৈনিক প্রথম আলোতে সেই ক্লাস সেভেন-এইট থেকেই। কতো অনুপ্রেরণা পেতাম। সেই স্যারের কথা শুনবো কাছে থেকে। স্বপ্নটা যেন পুরোটা সত্যি। এখনো শিখে যাচ্ছি। শিখতে চাচ্ছি। মাঝে মাঝে ভাবি নতুন বইয়ের লোভে কেন্দ্রে এসে ক্ষতি হয়নি। আরেকটা বিষয় স্যারের বইয়ে পড়েছিলাম। স্যার বলছিলেন, আমাদের এখানে কতো ছেলেমেয়ে তার জীবন সঙ্গি পেয়েছে তার অভাব নাই। কারন সমমনারাই এখানে আসে।

যা হোক, স্মৃতির পাতা খুলে দিলে হয়তো দু'কলম লিখা দু'শত পাতা ছাড়িয়ে যাবে আর তখন লিখাটাও পড়বেনা কেউ। আসলে বিজ্ঞানের ব্যবহারিক খাতাও এতো যত্ন করে লিখিনি যা করেছি কলেজ কর্মসূচির সেই ডায়েরিটায়। আজো সেটা দেখলে মন ভরে যায়। হয়তো একসময় আমার ছেলে বলবে; বাহ! বাবা বেশ রোমন্টিক ছিলো। হয়তো বলবে বেশ বই পড়ুয়া ছিলো। চোখ বন্ধ করে মাঝে মাঝে ফিরে যেতে চাই অতীতে। আবার উৎসাহ পাই ভবিষ্যতে আলোকিত হতে.....

আল আমিন
কলেজ কর্মসূচি, ২৯ ব্যাচ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
শুভ কিবরিয়া
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
লুৎফর রহমান রিটন
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
মোহাইমিনুল হক জয়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
রাজন দত্ত মজুমদার
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
আবদুল্লাহ আল মোহন
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ধন্যবাদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বিশ্ব বন্ধু বর্মন
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
মোঃ মনির হোসেন টিটো
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
নাদিয়া জেসমিন রহমান
 বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
মোঃ এনাম-উজ-জামান বিপুল
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
পিয়াস মজিদ
“Kendro”, The Centre
“Kendro”, The Centre
MD. MAHDIUL HAQUE
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে আলো হয়ে মিশে আছে শত শত মানুষ
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে আলো হয়ে মিশে আছে শত শত মানুষ
ইশরাক পারভীন খুশি
মনে পড়ে সেই স্কুল কলেজের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীর মুখ
মনে পড়ে সেই স্কুল কলেজের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীর মুখ
পথিক শহিদুল
কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো
কেন্দ্রে চল, নতুন বই দিবো
আল আমিন