কেন্দ্রের খাতা, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়

কেন্দ্রের খাতা, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়

আসজাদুল কিবরিয়া
ঠিক কবে প্রথম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নাম শুনেছিলাম মনে নেই, তবে খবরের কাগজে কেন্দ্র বিষয়ে কোনো একটা খবর পড়ে এক অজানা কারণেই টান অনুভব করেছিলাম। পারিবারিক আনুকূল্যে ছোটবেলা থেকেই যেহেতু বই পড়ার (অবশ্যই পাঠ্য পুস্তকের বাইরে গল্পের বই) নেশায় কিছুটা বুদ হয়েছি, তাই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মানেই সাংঘাতিক কিছু একটা ব্যাপার ধরে নিয়েছিলাম । আর একটু খোঁজ-খবর করতেই অনেককিছু জানা গেল। এসএসসি পরীক্ষার পর যখন কিছুদিনের জন্য অফুরন্ত অবসর, তখনই একদিন একা একা নারায়ণগঞ্জ থেকে বাসে চেপে চলে আসি কেন্দ্রে। আমীরুল ভাই (শিশু সাহিত্যিক ও ছড়াকার আমীরুল ইসলাম) তখন কেন্দ্রে নিয়মিত বসছেন, দেখছেন ‘আসন্ন’। একটা গল্প লিখে এনেছিলাম সঙ্গে করে। সাহস করে সেটা দিলাম। চোখ বুলিয়ে আমীরুল ভাই তার চিরায়ত ভঙ্গীতে বলেছিলেন, ‘রাইখা যাও মিয়া, ঠিক-ঠাক কইরা কোথাও ছাপায় দিমুনে।’ তারপর অনেকক্ষণ কথা বলেছিলেন নানা বিষয়ে, এককপি ‘আসন্ন’ হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এরই মধ্যে সায়ীদ স্যার একবার ঘুরে গেলেন। সেই প্রথম সরাসরি স্যারকে দেখা। অধ্যাপক আবদুল্লা্হ আবু সায়ীদ। বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুবাদে তাঁর সরস ও প্রাণবন্ত কথা আমাদের কাছে বহুল পরিচিতি।

সায়ীদ স্যার ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করেন। আর ঢাকা কলেজের জীবন মানে মাত্রাছাড়া স্বাধীনতা! সুতরাং মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ঢাকা কলেজে পড়তেই হবে জেদ ধরেছিলাম। তাতে সফল হওয়া ছিল জীবনের এক বিরাট প্রাপ্তি। কলেজে সায়ীদ স্যার আছেন। আবার কেন্দ্রের কলেজ কর্মসূচিতে সরাসরি স্যারের সান্নিধ্য পাওয়া, একেবারে কাছ থেকে বসে কথা শোনাতো নয় বরং বলা যায়, বাংলা ও বিশ্ব সাহিত্যের এক সুবিশাল রত্নভাণ্ডারের দ্বার খুলে যাওয়া! সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে নিয়মিত ঢাকায় কেন্দ্রে এসেছি, আলোচনায় অংশ নিয়েছি। যে বইগুলো পড়েছি, সেগুলো থেকে পছন্দ মতো বিভিন্ন অংশ খাতায় তুলে রাখতাম। প্রথম দিনই স্যার বলেছিলেন যে, এ কাজটি এক সময় বড় আনন্দ দেবে। সত্যি তাই। প্রায় তিন দশক পরে আজ যখন খাতাটি হাতে নিয়ে উলটেপালেট দেখি, তখন স্যারের কথাটি কানে বাজে আর মনে হয়, এ রকম আনন্দ আর কোথায়ই বা পাওয়া যায়?

আসজাদুল কিবরিয়া
কলেজ কর্মসচি ১৯৮৯-৯০
(কঁচি আতেঁল ব্যাচ)

বই, আমি এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
বই, আমি এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
মোঃ রেজওয়ান হোসেন মুরাদ
আলোর দিশারী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে হাজারো সালাম
আলোর দিশারী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে হাজারো সালাম
দেবজয় চক্রবর্তী
মনে পড়ে সেই স্কুল কলেজের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীর মুখ
মনে পড়ে সেই স্কুল কলেজের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীর মুখ
পথিক শহিদুল
আজ মনে পড়ে সেই সব স্মৃতিময় দিন, আমাদের কলেজ কর্মসূচি
আজ মনে পড়ে সেই সব স্মৃতিময় দিন, আমাদের কলেজ কর্মসূচি
রবিউল ইসলাম রবি
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চল্লিশ বছরের পথচলা
শুভ কিবরিয়া
জয় হোক আলো ঘরের, জয় হোক আলোকিত মানুষের
জয় হোক আলো ঘরের, জয় হোক আলোকিত মানুষের
শ্যামলী খান।
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
স্মৃতির শ্যাওলাজমা দেড়তলা সাইজের দোতলা সেই বাড়িটা
লুৎফর রহমান রিটন
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
কেন্দ্রের চল্লিশ আর আমার এগারো
মোহাইমিনুল হক জয়
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
অংশুকারাভানের এক যাত্রী
নাদিয়া জেসমিন রহমান
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র; প্রগতির চেতনায় আলোকিত বিদ্যাপীঠ।
রাজন দত্ত মজুমদার
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
জীবনের ভরকেন্দ্র : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
আবদুল্লাহ আল মোহন
 বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র , এক অনন্য বিদ্যায়তন
মোঃ এনাম-উজ-জামান বিপুল
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বারান্দায়
পিয়াস মজিদ
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
পূর্তি উৎসব মানেই অনেক আনন্দ! অনেক ব্যস্ততা!!
মোঃ মনির হোসেন টিটো